Tuesday, November 1, 2016

Wedowo :: Sign up

What is expected from Workers?

1. Go to Wedowo Global

2. Sign up using your gmail address.

3. Do not use fake email.

4. Go to https://www.wedowo.com/tree/index. Put mouse point over your id, wait 5 seconds a pop up window will appear, take a screenshot.


Required proof that task was finished?

1. Username

2. Screenshot taken in step 4 

Sunday, August 28, 2016

FaceBook :: Whaff :: Sign up

What is expected from Workers?

1. Go to goo.gl/bRxU7R

2. Sign up using your Facebook

3. Use invite code: "EP17305" (without quote) and your total balance will be $ 0.50

3. Take a screenshot that is showing $ 0.50 on your account balance


Required proof that task was finished?

1. Username (I will check your Username on my referrals list) 
2. Screenshot that is showing $ 0.50 on your account 

Saturday, August 27, 2016

গল্প-1

আমার বেতন ২২০০০ টাকা,কিন্তু আমি যে বাসায় থাকি
ওটা বাড়িধারাতে (ওল্ড ডি ও এস এইচ)। এয়ারপোর্ট
এর পূর্ব দিকে একটা বিশাল ফ্লাট।
লোকে শুনে হাসে, পিছে লোক ঘুসখোর
বলে। আমি হাসি, গ্রাম থেকে এসেছিলাম একটা কাজ
জুটাবো বলে। কিন্তু আমাকে খুঁজে নিয়েছে
বিশাল কোম্পানি। বছর খানেক পর আমার কাজের
উপর খুশি হয়ে এই বাড়িধারাতে ট্রান্সফার করে
দেয়। সাথে এই অফিসিয়াল ফ্লাট। পুরো ঘটনা
অনেক কে বলা হয়, যারা শুনে তারা ভ্রু কুঁচকায়। বাকিরা
ঘুস খোর বলে। যেদিন এই বাসায় এসেছিলাম
সেদিন শায়লা কে কোলে তুলে ঘুরিয়েছিলাম, চুমু
খেয়েছিলাম, মাঝরাতে দুজনে একসাথে নেচেছি
খিক খিক।
--------
রিহানের জন্ম হয়েছিল বাড়িধারা লেক ভিউ ক্লিনিকে।
সবচেয়ে উন্নত সেবার এই ক্লিনিকে রিহান
সোনার চামুচ মুখে জন্মেছিল। মধ্যবিত্তের কাছে
সোনার চামুচ অধরা, বড্ড আদিক্ষেতা। আমার কাছে
তা ছিল না। পুরো ১২ আনা সোনা দিয়ে বানিয়ে
নিয়েছি সোনার চামুচ। জন্মের পর সেই চামুচে
সামান্য মধু নিয়ে রিহানের মুখে দিয়েছিলাম। আমার
সন্তান, সোনার চামুচ না হলে চলবেই না। হুম
রিহানের মা কখনো ওর ছবি তুলতে দিত না।কারন
অজুহাতের সমান। কিন্তু আমি নাছোরবান্দা, জন্মের
প্রথম দিন থেকে রিহানের প্রথম বসা, হামাগুড়ি
দেওয়া, প্রথম দাঁত নিয়ে হাসি, নিজের পায়ে
দাড়ানো, প্রথম মুখে ভাত, প্রথম স্কুল, কলেজ সব
সব আমার ক্যামেরায় বন্দি করেছি। অহহ হ্যাঁ শায়লা
একদিন নিজেই একটা ছবি তুলেছিল রিহানের। যেদিন
রিহান আমার পিঠে বসেছিল আর আমি গরুর মত হয়ে
হাম্বা হাম্বা করে ওকে নিয়ে ঘুরছিলাম। উফফফ আমার
দেখা সেরা ছবি ওটা। শায়লা বলতো ধুর ছাই, আমাকে
খুশি করতে মিথ্যা বলছো।
-----
রিহান যখন ২৬ শে পা দিল তখন আমার ৫২ বছর। এটা
নিয়ে বেশ একটা হাসির রোল পড়ে গিয়েছিল। বাবা
ছেলে বয়সে দ্বিগুন। সেই ক্লাস ফোরের
অঙ্কের মত। শায়লা সে বছর বেশ ক্ষেপিয়েছিল
আমায়, তবে বেশি দিন পারে নি। রিহান হঠাৎ একটা
মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে এলো। শায়লা
প্রচন্ড রেগে গিয়েছিল সেদিন। পারলে রিহানকে
জ্যান্ত পুতে ফেলবে। মনে খুব আপসেট হয়ে
গেল শায়লা, কিছুদিন তো খাওয়া, ঘুম ছেড়েই দিল।
আমি বোঝালাম, ছেলে মানুষ, পছন্দ হয়েছে,
বিয়ে করেছে। কেন আমরাও তো এই ভাবেই
বিয়ে করেছি তাই না?? কিন্তু শায়লা বুঝলো না। তার
উপর রিহানের বউয়ের অবাধ্য আচরন বাসার ভিতর
বেশ খিটমিট পরিবেশের সৃষ্টি করলো। রিহান
একদিন প্রচন্ড রেগে তার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল,
সে এ বাসায় থাকবে না। অহহ হ্যাঁ একটু বলেই দেই
পরে আমি কিস্তিতে অফিস থেকে বাসাটা ৮ বছরে
কিনে নিয়েছিলাম। সেই স্বপ্নের বাসায় রিহান
থাকবে না, যার স্মৃতি ঘিের এ বাসা সেই থাকবে না।
আমি ওর পিঠ চেপে দিয়ে বললাম, রাগ করিস না।
তোরা এ বাসায় থাক, আমাদের বরং বৃদ্ধাশ্রম এ দিয়ে
আয়। এটাই তো চাচ্ছিস তাই না?? রিহান আমতা আমতা
করে কিছু বলতে চাইলো। আমি হেসে বললাম,
"কোথাকার বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হবে?"
ও বলল, গুলশানে। অনেক ভাল একটা বৃদ্ধাশ্রম
আছে। তোমরা ওখানে অনেক ভাল থাকবে। আমি
হেসে আমার রুমে আসলাম,শায়লা আমাকে জড়িয়ে
ধরে ডুকরে কেঁদে উঠলো। ঠিক একই কান্না
কেঁদেছিল রিহান যখন জন্ডিসে আক্রান্ত হয়েছিল।
কি কান্না টাই করেছে, "আমার রিহান কে ফিরিয়ে দাও"
বলে।
-----
বসুন্ধরার এই বৃদ্ধাশ্রমে মোট ৬৩ জন আশ্রিতা। যার
মধ্যে আমরা দুজন কমবয়েসি। এই ব্যাপার টা খুব মজা
লাগতো, শায়লা কে বলতাম দেখ কি কপাল এত
জোয়ান বয়সে আমরা ঘর ছাড়া! শায়লা মুখ কালো
করে নিত। কিন্তু একটা মেয়ে হাসতো। ওর নাম
সাবিহা।এখানে থাকে। সবার দেখাশুনা করে।কার কি
লাগবে সেই দেখাশুনা করে। যখন থেকে আমরা
এসেছি এই মেয়েটাই আমাদের পরম কাছের হয়ে
গেছে। প্রায় দেখি সাবিহা শায়লার মাথায় তেল দিয়ে
দেয়। আমি ওর মাথায় গুতা দিয়ে বলি কিরে ""তোর
এই মাকে আবার আমার কাছ থেকে কেড়ে নিবি না
তো?? বুঝিস এই একটাই আমার সম্পদ""। ও আমার
পেটে গুতা দিয়ে বলতো, ইহহহ আমার কি সেই
সাধ্য আছে?? বলে খিল খিল করে হাসতো।
----------
গুনে গুনে ফের ২৮ বছর পেড়িয়েছি। ৮০ এর বুড়া
আমি , বৃদ্ধাশ্রমের গ্রিল ধরে দাড়িয়ে আছি।
বসুন্ধরার সেই বৃদ্ধাশ্রম থেকে ৫ মাস পই
পালিয়েছি। তারপর এখানে এসেছি, এখন যেখানে
আছি সেখানের নাম বলবো না।পালিয়েছি কারন রিহান
মাঝে মাঝে ন্যাকামি দেখাতো, হারামীর ন্যাকামো
আমার পছন্দ হতো না। ওর মায়ের সাথে কথা বলে
চলে যেত। পালিয়ে আসার পর ওরা আমাকে
খুজেঁছিল কিনা জানি না, তবে খুজেঁ নি এটা সিওর। এই
২৮ বছরে আমার কাছে কিছু বাকী নেই। ৯ বছর
আগে হঠাৎ শায়লা ঘুমিয়ে গেল, এতো ডাকলাম
শুনলোই না, ঘুমোনোর আগে শুধু রিহান কে
ডাকলো। আমার বুকটা কেঁপে উঠলো,চোখে
ঝাপসা দেখলাম, সাবিহা রোজ আসতো আমাদের
দেখতে। রোদ বৃষ্টি, ঝড়, এমন কোন দিন নেই
যে সে আসেনি। একদিন খুব জ্বর নিয়েও
এসেছিল, শায়লা খুব বকেছিল সেদিন।
নিজের সন্তান যেখানে এত বড় বেঈমান
সেখানে পর সন্তানের মায়ায় শায়লা কেঁদে দিত।
যেদিন শায়লা ঘুমিয়ে গেল, সাবিহা ২ বার সেন্সলেস
হয়ে গিয়েছিল।চিৎকার করে কেঁদে যাচ্ছিলো,
মাটিতে বসে পা দাপিয়ে আম্মা আম্মা বলে
চেঁচাচ্ছিলো। সব কিছু ছেড়ে কবরে শুইয়ে
দিলাম শায়লা কে। এরপর মাঝে মাঝে আসতো সাবিহা,
গম্ভীর ভাবে কথা বলতো, শায়লার সব কাপর ও
নিয়ে গিয়েছিল, আমার কাছে ছিল শুধু রিহানের
ফটো এলবাম। বছর দুয়েক পরে টানা ১ মাস
আসলো না সাবিহা, খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম। একদিন
এক ছোকড়া গোছের ছেলে এসে একটা চিঠি
দিল। আর বলল, সাবিহা বুবু দিয়েছে।
আমি বললাম ও কই? আসে না যে?
ছেলেটা মাথা নিচু করে বলল, বুবু ২৫ দিন আগে
রোড এক্সিডেন্ট মারা গেছে। ওর জিনিসপত্র
নিয়ে যাওয়ার সময় এই চিঠি পাওয়া গেছে, আর এই
ঠিকানা। বলেই ছেলেটা চলে গেল, আমি বুকে হাত
দিয়ে ঠোট চেপে ধরলাম..... বাহ সাবিহা, বাহ শায়লা।
বাহ!! তোরাও আমায় ছেড়ে চলে গেলি!
-------------
হঠাৎ একটা গাড়ির হর্নে সেদিকে তাকালাম। মার্সিডিজ
বেঞ্জ। এইগাড়িটা আমার সবচেয়ে পছন্দ, কখনো
কেনার সামর্থ্য হয়নি, তবে একে দুর থেকেই
দেখলেই চিনে ফেলি। গাড়ির সামনের সিট থেকে
একটা ২৫/২৬ এর ছোকড়া নামলো। চোখে সিওর
গুচ্ছি এর সানগ্লাস,বড় বিরক্তিকর আমার কাছে, তাই
দেখলেই বুঝতে পারি।
ছেলেটা গাড়ির দরজা খুলে দিল। একটা মাঝ বয়েসি
লোক, পাঞ্জাবি পরা, আর এক মহিলা বের হলো।
একটু কাছে আসতেই খুব চিনলাম লোকটা কে...
গ্রিল ছেড়ে হাটা দিলাম তার দিকে, সামনে গিয়ে
পাঞ্জাবির কলার চিপে ধরে দুটো থাপ্পর দেব,
যেটা আমার আরো ২৮ বছর আগে দেওয়া উচিত
ছিল। আর প্রশ্ন করবো "আজ কেমন লাগছে রে
রিহান ?" আমি জানি ও আমার থাপ্পর খেয়ে কান্না
করবে না, ও কাঁদবে আমার প্রশ্ন শুনে। কিন্তু আমি
ওকে ক্ষমা করবো না . . .
(সংগৃহীত)

Monday, August 22, 2016

Tips,Tricks,Learn and Earn

 I think microworkers is best easy online earning site. you can earn easily from here to make facebok account,you tube account,online voting system, linking etc
But that earning method is limited. So how you can earn minimum $50 daily from microworkers.( it`s not fake)

Your requirement :
1.Keep Patients
2.Own Blog
3.Good knowledge more forum

Why need that requirement:
1.Because you never earn to first time daily $50-$100. So you need first time keep patience.Then you can win.

2.If you can create your  blog i think it`s very very good opportunity to earning more.So you need create your blog as soon as possible.You can create your blog free from this link. Because microworkers give you more link to post your own blog. if you post that link your blog you will get minimum $3-$11 per link.you get minimum 10-15 link per day from microworkers.So i think you are understand importance of blog.Besides you can earn   to your blog google ad sense also! How can you create your own blog? I will open a blog tutorial page as soon as possible for every interest online earning users.Don`t worry blog open is very easy work. If you want to popular your blog in 2 month  need to keep daily update . I think daily update is success key to be success blogger.


3.Microworkers give you more link to post any popular forum.So if you have to collection more forum link it`s very easy to earning. Othewise you can register any forum freely .Sometimes microworkers recommended that post this link any popular forum there have your 25 comments & post.So.......... it`s very important part for microworkers. 

You can collection following forum link to earning
http://www.bigcrumbs.com/crumbs/viewForum.do?id=34
http://www.fatwallet.com/forums/off-topic/
http://slickdeals.net/forums/forumdisplay.php?sduid=0&f=7
http://forums.gottadeal.com/forum.php
http://hardforum.com/forumdisplay.php?f=28
http://www.dealcatcher.com/forums/default.asp
http://forums.dealofday.com/forums/8-General-Chit-Chat
http://forums.anandtech.com/forumdisplay.php?f=14
http://www.vickysdeals.com/forums/
http://forums.redflagdeals.com/off-topic-f15/
http://www.bigbigforums.com/off-topic-chat/
http://www.hotcouponworld.com/forums/
http://www.dealtaker.com/forums.html
http://www.resellerratings.com/forum/off-topic-community.html
http://forums.moneysavingexpert.com/forumdisplay.php?s=a15ba08a7320f783b06838c5e5224660&f=42

http://www.fishingfordeals.com/forums/ubbthreads.php?Cat=
http://www.flyertalk.com/forum/hotel-deals-607/
http://forum.purseblog.com/deals-and-steals/
http://www.overclockers.com/forums/forumdisplay.php?f=19
http://forum.couponmom.com/
http://www.weusecoupons.com/
http://www.spoofee.com/forums/off-topic-discussion-general-questions/
http://www.stealdeals.com/forums/yaf_topics8_Off-Topic.aspx
http://www.pinchingyourpennies.com/forums/forumdisplay.php?f=62 

সবার জন্য মাইক্রোওয়ার্কারস

সবার জন্য মাইক্রোওয়ার্কারস
 
ডাটা এন্ট্রি কাজ যারা করেন তারা ভালভাবেই জানেন যে একটি ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া কতটা কঠিন। কম্পিউটারের সাধারণ ব্যবহার জানলেই এ ধরনের কাজ করা যায়। এজন্য প্রায় প্রতিটি মার্কেটপ্লেসে এক একটি ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্ট করতে শত শত আবেদন পড়ে। এদের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট একজনকে বেছে নিতে ক্লায়েন্টদেরকে স্বীদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে হয়। প্রথম কাজ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নতুন ফ্রিল্যান্সাররা কিছুদিন বিড করার পর কাজ না পেয়ে শেষে ফ্রিল্যান্সিং করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেন। আজকে যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তাতে কাজ করার জন্য কোন বিড বা আবেদন করতে হয় না। অর্থাৎ ইচ্ছে করলে এই মূহুর্ত থেকে কাজ শুরু করে দেয়া যায়। আর কাজগুলোও অত্যন্ত সহজ। সাইটটি হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্কারস (www.microworkers.com)।

প্রথম দর্শনেই সাইটটিকে সহজবোধ্য মনে হবে। মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই সাইটের কাজগুলো অত্যন্ত ছোট ছোট। এক একটি কাজ করতে ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রতিটি কাজের মূল্য ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১.৭৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাইটে প্রতিদিনই নতুন নতুন কাজ আসে। এখানে একটি কাজ কেবলমাত্র একবারই করা যায়। মোট আয় ৯ ডলার হলেই চেক, মানিবুকার্স, পেপাল এবং এলার্টপে সার্ভিসের মাধ্যমে উত্তোলন যায়।

মাইক্রোওয়ার্কারস সাইটে একজন ফ্রিল্যান্সারকে Worker এবং এবং একজন ক্লায়েন্টকে Employer হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাইটে এই দুই ধরনের ব্যবহারকারী কিভাবে কাজ করে তা নিচের কার্টুনের মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে-

Worker হিসেবে কাজ শুরু করার পূর্বে প্রথমে সাইটে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর মেনু থেকে Available Jobs লিংকে ক্লিক করে সকল কাজগুলো দেখা যাবে। প্রতিটি কাজের শিরোনামের সাথে কয়েকটি তথ্য পাওয়া যায় - কাজের মূল্য (Payment), শতকরা কতজনের কাজ ক্লায়েন্ট গ্রহণ করেছে (Success Rate), কাজটি করতে আনুমানিক কত মিনিট লাগতে পারে (Time), কতজন এ পর্যন্ত কাজটি করছে (Done) ইত্যাদি। কোন একটি কাজের শিরোনামের উপর ক্লিক করে সেই কাজের বিস্তারিত আরো তথ্য জানা যাবে। এর মধ্যে "What is expected from workers?" অংশ থেকে কাজের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যাবে। কাজটি যে আপনি যথাযথভাবে শেষ করেছেন তা প্রমাণ দিতে কি কি তথ্য প্রদান করতে হবে তা "Required proof that task was finished?" অংশের মাধ্যমে জানা যাবে। সবশেষে "I accept this job " লিংকে ক্লিক করে একটি টেক্সটবক্সে আপনার কাজের প্রমাণগুলো দিতে হবে। কোন কাজ করতে না পারলে "Not interested in this job" লিংকে ক্লিক করে বের হয়ে যাওয়াই ভাল, সেক্ষেত্রে এই কাজটি আপনার "Available Jobs" পাতায় আর কখনও দেখাবে না।

কাজের প্রকারভেদ:
এবার দেখা যাক সাইটে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর মূল্য সাধারণত কত হয় -

Click and Search ($0.10 - $0.15): এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট একটি সাইটের লিংক দিবে, যাতে ভিজিট করে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ দিয়ে সার্চ করতে হবে। সব শেষে ক্লায়েন্টের বর্ণনা অনুযায়ী এক বা একাধিক বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে হবে।
Bookmark a page ($0.10 - $0.20): ক্লায়েন্টের কোন একটি সাইটকে অন্য একটি সাইটে বুকমার্ক করতে হবে। এ ধরনের বুকমার্ক সাইটের মধ্যে রয়েছে digg.com, delicious.com বা mixx.com, যা ক্লায়েন্ট কাজের বিবরণীতে উল্লেখ করে দিবে। বুকমার্ক করার পূর্বে ওই সাইটে আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে।
Signup ($0.10 - $0.20): এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় আপনার ইমেইল ঠিকানা দিতে হবে। এ ধরনের কাজ করার জন্য নিজের ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানা দেয়া ঠিক হবে না। এজন্য পৃথক একটি ইমেইল একাউন্ট খুলে সেটি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা উচিৎ। অন্যথায় স্পাম ইমেইলের কারণে আপনার দরকারী ইমেইল খোঁজে পাবেন না।
Comment on other blog ($0.10 - $0.15): এই কাজে ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে গিয়ে এক বা একাধিক মন্তব্য দিতে হবে। মন্তব্যগুলো সাধারণত দুই-এক লাইনের হবে এবং ওই ওযেবসাইটের বিষয়বস্তুর সাথে স্বামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
Forums ($0.10 - $0.15): এ ধরনের কাজের জন্য কোন একটি ফোরামে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে এবং Signature হিসেবে ক্লায়েন্টের কোন ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে। এরপর ওই ফোরামের এক বা একাধিক পাতায় স্বামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য পোস্ট করতে হবে।
Facebook ($0.15 - $0.20): এ ধরনের কাজের মধ্যে রয়েছে ক্লায়েন্টকে ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা বা ক্লায়েন্টের Fan হওয়া অথবা কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার Wall এ পোস্ট করা।
Twitter ($0.15 - $0.20): এক্ষেত্রে twitter.com এ একটি একাউন্ট থাকতে হবে এবং ক্লায়েন্টের একাউন্টকে Follow করতে হবে অথবা নিদিষ্ট কোন বিষয়ে পোস্ট করতে হবে।
Write an article ($0.50 - $1.75): মাইক্রোওয়ার্কারসে প্রাপ্ত কাজগুলোর মধ্যে এই ধরনের কাজ অর্থাৎ কোন বিষয়ে ইংরেজীতে আর্টিকেল লিখে সবচেয়ে বেশি আয় করা যায়। লেখাগুলো ৫০ শব্দ থেকে শুরু করে ৫০০ শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে। এ ধরনের কাজে এক দিকে যেমন ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধি পায় তেমনি নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। তবে যাদের ইংরেজীতে লেখায় দক্ষতা আছে তারাই কেবল এ ধরনের কাজ করতে পারে। লেখায় তথ্য সংযোগের জন্য ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে অন্যান্য ওয়েবসাইটের সহায়তা নেয়া যাবে, তবে আপনার লেখাটা অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। লেখা মৌলিক হল কিনা তা www.copyscape.comওয়েবসাইটের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে।
Blog/Website Owners ($0.25 - $0.80): অনেক সময় শুধু লিখলেই হবে না, লেখাটা আপনার জনপ্রিয় কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এজন্য এধরনের কাজের নামের সাথে PR2+ PR3+, PR4+ ইত্যাদি লেখা দেখতে পাবেন। PR শব্দের মানে হচ্ছে Page Rank, আর PR2+ শব্দের মানে হচ্ছে যেসকল ওয়েবসাইটের পেইজ রেংক ২ বা তার অধিক। এটি গুগলের একটি মানদন্ড যা কোন ওয়েবসাইট কতটুকু জনপ্রিয় তা নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের পেইজ রেংক কত তাwww.prchecker.info ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যায়। এ ধরনের কাজ শুরু করার পূর্বেwww.blogger.com ওয়েবসাইটে গিয়ে বিনামূল্যে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন। প্রথম অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই পেইজ রেংক শুণ্য থাকবে। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটটিতে বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখেন তাহলে কয়েক মাস পর পেইজ রেংক বাড়তে থাকবে। লেখার পাশাপাশি ভাল রেংকের কয়েকটি ওয়েবসাইটের সাথে লিংক বিনিময় করতে পারলে পেইজ রেংক আরো তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকবে।
Download and/or Install ($0.25 - 0.35): এই কাজে কোন সফটওয়্যার শুধুমাত্র ডাউনলোড এবং কোন কোন সময় ইন্সটলও করতে হয়।
Post an Ad on Craigslist ($0.25 - $0.75): www.craigslist.org হচ্ছে শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের প্রদত্ত কোন পণ্যের বিজ্ঞাপণ craigslist.org সাইটে প্রকাশ করতে হয়। এজন্য পূর্বেই সাইটটিতে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
এই সাইটে কাজ করার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলে ঝামেলাপূর্ণভাবে কাজ করতে পারবেন -

কোন অবস্থাতেই একাধিক একাউন্ট তৈরি করার উচিৎ নয়। একজন ব্যবহারকারী একাধিক একাউন্ট তৈরি করলে তার সবগুলো একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়।
একটি নির্দিষ্ট কাজ একবারের বেশি কখনও করতে পারবেন না। তবে একই ধরনের অন্য কাজ করতে কোন বাধা নেই।
কাজ না বুঝে কখনও কাজ জমা দিবেন না। প্রতিটি কাজের শেষে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ পছন্দ হলে "Satisfied" দিবে, অথবা অপছন্দ হলে "Not Satisfied" রেটিং দিবে। এই দুই ধরনের রেটিং এর তুলনাকে "Success Rate" বলা হয়। গত ৩০ দিনে আপনি যদি ৫ টি কাজ সম্পন্ন করেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার "Success Rate" যদি ৭৫% এর নিচে হয়, তাহলে পরবর্তী ১ থেকে ৩০ দিন আপনি আর কোন কাজ করতে পারবেন না। তাই শতভাগ নিশ্চিত হয়ে কোন কাজ করা উচিৎ এবং কাজ শেষে ক্লায়েন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক।
কখনও যদি "Success Rate" ৭৫% এর কম হয়ে যায়, তাহলে হতাশ না হয়ে দুই-একদিন অপেক্ষা করে আবার কাজ করা যায় কিনা চেষ্টা করে দেখুন।
নতুন ব্যবহারকারীরা প্রথম প্রথম একদিনে সর্বোচ্চ ৫ টি কাজ করতে পারবেন। এরপর ক্লায়েন্টের রেটিং এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ১০ টি কাজ করার পর এই সীমাটি আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে।
কখনও যদি মনে করেন আপনি যথাযথভাবে কাজ করেছেন কিন্তু ক্লায়েন্ট আপনাকে "Not Satisfied" রেটিং দিয়েছে তাহলে "Submit a Complain" লিংকের মাধ্যমে আপনার অভিযোগ সাইটের কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।
কাজের প্রমাণ হিসেবে কখনও ভূয়া তথ্য প্রদান করবেন না, এ ধরনের কাজ তিনবার করলে একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
যে সকল কাজে IP এড্রেস দিতে হয় সেসব কাজ না করাই ভাল। কারণ আমাদের দেশের ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা গ্রাহকদেরকে শেয়ারকৃত IP এড্রেস দিয়ে থাকে। ফলে আপনার মত একই ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ আছে এরকম কেউ সেই কাজটি পূর্বে করে থাকলে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ গ্রহণ করবে না। আমাদের দেশে বিশষত গ্রামীণফোন বা সিটিসেলের ইন্টারনেট ব্যবহাকারী বেশি হওয়ায় এই সমস্যাটা তাদের ক্ষেত্রে বেশি হবে।

অর্থ উত্তোলন:

শুধুমাত্র "Satisfied" রেটিং পেলেই সেই কাজের টাকা আপনার একাউন্টের ব্যালেন্সের সাথে যুক্ত হবে।
চারটি পেমেন্ট পদ্ধতির যে কোনটিতে টাকা তুলতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হয়। চেকের ক্ষেত্রে ৪.৫০ ডলার, পেপালের ক্ষেত্রে ৬%, মানিবুকার্স এবং এলার্টপে পদ্ধতিতে ৬.৫% ফি দিতে হয়।
একাউন্টের ব্যালেন্স ৯ ডলারের উপর হলেই কেবলমাত্র টাকা তুলতে পারবেন। সাথে ফি দেবার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ একাউন্টে থাকতে হবে।
প্রথম Withdraw করার আবেদনের সময় আপনার বাসার ঠিকানায় চিঠির মাধ্যমে একটি PIN নাম্বার পাঠানো হবে। এই নাম্বারটি পরবর্তীতে সাইটে প্রবেশ করাতে হবে। কেউ একাধিক একাউন্ট তৈরি করেছে কিনা তা যাচাই করতে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়। PIN নাম্বারের চিঠিটি আসতে ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগতে পারে।
ঠিকানা যাচাই করার পর পরবর্তী Withdraw আবেদনের ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে মূল্য পরিশোধ করা হবে।

আমাদের দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সাররা ইতিমধ্যে এই সাইটে কাজ করছেন এবং তারা সাইট থেকে নিয়মিত টাকা পাচ্ছেন। তবে একটা বাস্তব সত্য হচ্ছে এই সাইট থেকে খুব বেশি পরিমাণে আয় করা যায় না। যারা পড়ালেখা বা অন্য কাজের পাশাপাশি ইন্টারনেট থেকে বাড়তি আয় করতে চান তাদের জন্য এই সাইট অবশ্যই আয়ের একটি ভাল উপায় হতে পারে। এই সাইটের জনপ্রিয়তা এত বেশি যে, ইদানিংকালে এই সাইটকে অনুকরণ করে আরো অনেক ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেwww.minuteworkers.comwww.rapidworkers.comwww.minijobz.com ইত্যাদি। তবে সেই সাইটগুলো থেকে মাইক্রোওয়ার্কারসের মত আসলেই টাকা পাওয়া যায় কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায় নি।

GDPR checklist for businesses

Remember, your GDPR checklist needs to take into account past and present employees and suppliers as well as customers (and anyone else’s ...